Close Menu
পরিবারবিডিপরিবারবিডি
    বিশেষ প্রবন্ধ

    সন্তানের জেদ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

    January 29, 2026

    সন্তানের জেদ সামলানোর সহজ ও কার্যকর উপায়

    January 28, 2026

    সন্তান লালনপালন ও ঘুমের ঘাটতি: যেভাবে সাজাবেন আপনার দৈনন্দিন রুটিন

    January 27, 2026
    Facebook X (Twitter) WhatsApp Telegram
    • সন্তানের জেদ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে
    • সন্তানের জেদ সামলানোর সহজ ও কার্যকর উপায়
    • সন্তান লালনপালন ও ঘুমের ঘাটতি: যেভাবে সাজাবেন আপনার দৈনন্দিন রুটিন
    • ইসলাম উদ্দিন নামের অর্থ কী?
    • ইসলামী উত্তরাধিকার বিধান ও নারীর অধিকার
    • রাগ নিয়ন্ত্রণ
    • পাত্রী দেখার গুরুত্ব ও নিয়ম
    • যেভাবে শিশুদেরকে ধৈর্য এবং শৃঙ্খলা শিখাবেন
    • প্রশ্ন পাঠান
    • আমাদের সম্পর্কে
    Facebook X (Twitter) WhatsApp
    পরিবারবিডিপরিবারবিডি
    পাত্র-পাত্রী খুঁজুন
    Tuesday, July 28
    • Home
    • পরিবার পরামর্শ
      • পরিবার সচেতনতা
      • পিতা-মাতা
      • স্বামী-স্ত্রী
      • সন্তান
    • বিবাহ
      • তালাক
    • ইসলাম
      • আল কুরআন
      • আল হাদীস
    • নতুন প্রশ্নোত্তর
    • অন্যান্য
      • ইসলামিক নাম
      • বইসমূহ
    পরিবারবিডিপরিবারবিডি
    ইসলাম

    যে কারণে মুসলমানরা অন্য ধর্মের উৎসবে একাত্ম হবেন না

    October 4, 2019
    Facebook Twitter Telegram WhatsApp Copy Link

    মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ।।

    এদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন বহু বহু বছর থেকেই। তখন তা সীমিত থাকত ঢাকেশ্বরী মন্দির ও নির্দিষ্ট কিছু মন্দীর-মণ্ডপ পর্যন্ত। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের একান্ত ধর্মীয় বিষয় বলে মুসলমানরা সেখানে যেত না। সরকারী-বেসরকারী মুসলিম নেতাদের উপস্থিতিও ছিল কম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর থেকে যেভাবে পূজো উদযাপন হচ্ছে এবং সর্বপ্রকারের মিডিয়ায় যেভাবে এর প্রচার-প্রচারণা হচ্ছে তা সম্পূর্ণই ভিন্ন। এখন বহু মুসলমানও যায় পূজা দেখতে, কেউবা আনন্দ উপভোগ করতে। আর বেশি যান নেতা-নেত্রীরা। ছোট থেকে সর্বোচ্চ স্তরের নেতা-নেত্রীগণও যান। অথচ কয়েক বছর আগেও দৃশ্যপট এমন ছিল না।

    আসল কথা হল, পূজা যাদের, তারা সেটা নিরাপদে আর আনন্দেই পালন করুক। এসমস্ত পূজামণ্ডপে গিয়ে কিংবা পূজাকেন্দ্রিক কোনো উৎসবে উপস্থিত হয়ে জাতীয় নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন নীতিবাক্য ও উপদেশও উচ্চারণ করে থাকেন। সংখ্যালঘুরা যেন এদেশে বুক ফুলিয়ে চলতে পারেন, তারা যেন তাদের সব অধিকার নিজেরাই আদায় করে নেন- সেসব কথাও বলা হয়। বলা হয় তাদেরকে দেয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা এবং তাদের পাশে যে এ দেশের নেতারা সজাগ ও সক্রিয় আছেন-সেকথাগুলোও তারা বলেন। এরই সঙ্গে সম্প্রতি তারা আরেকটি কথাও বলতে শুরু করেছেন। সেটি হচ্ছে, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। কোনো কোনো নেতা বলেছেন, ধর্ম সম্প্রদায়ের উৎসব সকলের। আমাদের আলোচনায় আমরা পূজাকেন্দ্রিক উৎসব নিয়ে নেতাদের মুখে উচ্চারিত এ দুটি বাক্য কিংবা এ দুটি বাক্যের মূলকথা বা নির্যাস নিয়েই কিছু আরজ করতে চাই।

    শুরুতেই আমাদের নিবেদন হচ্ছে, যেহেতু এসব পূজা-উৎসব কিংবা অপর ধর্মীয় কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রটিতে ঈমানের প্রশ্ন জড়িত, তাই এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষণটি শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে হওয়াই প্রয়োজনীয়। অন্য কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক তত্ত¡ কিংবা ভাবাবেগের সাহায্য এক্ষেত্রে গ্রহণ করা সমীচীন নয়। সে হিসেবে প্রথমেই আমরা যে কথাটি পেশ করতে চাই সেটি হচ্ছে, সাধারণ যুক্তিতে কিংবা শরীয়তের আলোকে এই বাক্য দুটিকে বাস্তবসম্মত বলে সাব্যস্ত করা যায় না। কারণ, বিগত কয়েক বছর যাবৎ আমরা এই যে কথাটা শুনছি, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এটি কেবল পূজার সময়ই এবং পূজাকে উপলক্ষ করেই বলা হচ্ছে। মুসলমানদের কোনো উৎসব নিয়ে এ জাতীয় বাক্য উচ্চারিত হতে শোনা যায়নি। আর পূজার বিষয়টি সম্পূর্ণই ধর্মীয় বিশ্বাসনির্ভর। যা সংশ্লিষ্ট ধর্মের লোকেরা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতির ভিত্তিতে করে থাকে। এ উপলক্ষে তাদের যে উৎসব-আনন্দ সেটি সম্পূর্ণই পূজাকে কেন্দ্র করে। পূজাকে কেন্দ্র করে ‘প্রতিমা’ তৈরি করা হয়। প্রসাদ বিতরণ করা হয়। বহু রকম কেনাকাটা ও আয়োজনের সমারোহ চালানো হয়। এভাবেই পূজাকেন্দ্রিক মহা এক উৎসবের ব্যবস্থা হয়। সুতরাং এ উৎসব-আনন্দ আর ধর্মীয় বিশ্বাস প্রত্যেকটাই একটা অপরটার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই এখানে উৎসব-আনন্দের বিষয়টিকে পৃথক করে দেখা এবং পূজার বিষয়টিকে পৃথক করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়গুলো আসলে পৃথক নয়।

    আরো পড়ুন  রাগ নিয়ন্ত্রণ

    যেমনিভাবে মুসলমানদের ঈদুল আজহার ঈদের নামায ও কুরবানী-প্রধান দুটি কাজ। এই দুই কাজের ওপর ভিত্তি করেই আনন্দ-উৎসব করা হয়। তাই ঈদুল আযহার আনন্দ-উৎসবকে ঈদের নামায ও কুরবানী থেকে পৃথক করে দেখার সুযোগ নেই। ইসলামের দৃষ্টিতে যে ব্যক্তি ঈদের নামায ও কুরবানী করবে না (ওয়াজিব হওয়া সত্ত্বেও), তার জন্য কোনোক্রমেই ঈদুল আযহার আনন্দ-উৎসব করার অধিকার নেই। সে হিসেবে ঈদুল আযহার ব্যাপারে এখন কেউ যদি বলে, ধর্মীয় কাজগুলো মুসলমানদের হলেও এ উৎসবটা সকলের, স্পষ্টতই তা বাস্তবসম্মত হবে না। তাইতো কোনো ঈদের জামাতের আশেপাশে বা জাতীয় ঈদগাহ ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা অন্য ধর্মের লোকদের সমবেত হতে দেখা যায় না।

    ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার করে বোঝার জন্য ঈদুল আযহা নিয়ে শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মানসিক অবস্থা বিচার করলেও যথেষ্ট হবে। তাদের কাছে গরু হলো পবিত্র পশু। এই গরু নিয়ে কত করুণ কাণ্ডই না ঘটে যাচ্ছে আমাদের প্রতিবেশি হিন্দু-প্রধান দেশে। সেখানে সরকারী দলের লোকদের হাতে নিহত, নিগৃহীত হচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজ। শুধু গরুর গোশত খাওয়ার অপরাধে বা অভিযোগে। এমনকি গরুর পবিত্রতা প্রকাশ করতে গিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ(!) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে গরুর গোশতের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকাশ্যে স্বস্তির বাণী প্রকাশ করেছেন। এ হচ্ছে গরু সংক্রান্ত হিন্দুদের বিশ্বাস। অপরদিকে মুসলমানরা সেদিন গরু যবেহের মাধ্যমে আল্লাহর হুকুম পালন করে আনন্দ করে থাকে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানদের এই আনন্দের দিন ও উৎসবটা হিন্দুদের জন্য আনন্দের নয়। অপরদিকে আমাদের জন্য ঠিকই আনন্দের। উট-দুম্বা-ছাগল-ভেড়া-মহিষ কুরবানীর সুযোগ থাকলেও পাক-ভারত উপমহাদেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কুরবানী দেওয়া হয় গরু। এজন্য এতদঞ্চলে কুরবানীর ঈদকেও ‘বকরীদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয। এখানে ‘বকর’ মানে গরু। এতে এ বিষয়টি স্পষ্ট হল যে, এক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মভিত্তিক উৎসবকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হিসেবে সাব্যস্ত করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।

    আরো পড়ুন  স্বাপ্নিক প্রেমহাসি : রিবঈ ইবনে হিরাশ

    এ বিষয়ে মৌলিক ও দ্বিতীয় আরেকটি কথা হচ্ছে, ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের কথা বা আকীদায় বিশ্বাস করার কোনো সুযোগই নেই। কারণ, ঈমান ও ইসলাম হচ্ছে একক ও নিরঙ্কুশ বিষয়। এখানে কোনো প্রকারের মিশ্রণের ন্যূনতম সুযোগ নেই। আমরা যদি আমাদের দুই ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার পটভ‚মির দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি আমাদের সামনে আরো স্পষ্ট হয়ে যাবে। মদীনায় ইসলামপূর্বে দু’টি উৎসব চালু ছিল। নওরোয ও মেহেরজান নামে। সাহাবীগণ ওই দুটি উৎসব পালন করতে চাইলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পালনের অনুমতি দেননি। বরং এর উত্তম বিকল্প হিসেবে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র দুটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপহার দিয়েছেন। এ থেকে এ সত্যটি অনুধাবন করা যায় যে যদি মুসলমানদের জন্য অন্যদের উৎসব পালন করার সুযোগ থাকতো তাহলে তিনি ওই উৎসব পালন করা থেকে সাহাবীদের বিরত করতেন না।

    এ ক্ষেত্রে আরেকটি উদাহরণ আমরা গ্রহণ করতে পারি। সেটি হচ্ছে ১০ মুহাররম বা আশুরার রোযা। ইয়াহুদীদের সাথে যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ বা সাদৃশ্যপূর্ণ না হয়ে যায় সেজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোযার সাথে আগে কিংবা পরে আরো একটি রোযা রাখতে বলেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন ধর্ম বা ধর্মানুসারীদের সাথে সাদৃশ্য বা সামঞ্জস্য হওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ হাদীস শরীফে বার বার দেওয়া হয়েছে। ইয়াহুদীদের সাথে সামঞ্জস্য অবলম্বন না করতে কিংবা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে বিভিন্নভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাদীস শরীফে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ‘ইয়াহুদীদের সঙ্গে ভিন্নতা অবলম্বন করো, মুশরিকদের কাজকর্মের সাথে ভিন্নতা অবলম্বন করার হুকুমটি ধ্বনিত হয়েছে। নামাযে আহবানের ক্ষেত্রে ইয়াহুদী, নাসারাদের ঘণ্টা বাজানো ও সিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার প্রথা গ্রহণ না করা, অভিভাদনের ক্ষেত্রে হস্ত উঠানোর বিকল্প হিসাবে সালামকে গ্রহণ করা, সপ্তাহের পবিত্র দিন হিসেবে শনি, রবির পরিবর্তে জুমা বারকে গ্রহণসহ এ ধরনের বহু ক্ষেত্র বিদ্যমান যেখানে ইসলামের কার্যকলাপকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের থেকে পৃথক করা হয়েছে।

    তৃতীয়ত পূজার বিষয়টিকে ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে যে কোনো মুসলমানের কাছেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে তার সঙ্গে কোনোরকম সংশ্লিষ্টতারই সুযোগ কোনো মুসলমানের নেই। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলামের শুরুর যুগে এ জাতীয় ধর্মাচারের বিরোধিতা করেই ইসলামের তাওহীদ তথা একত্ববাদের দিকে মানুষকে আহবান করেছেন। এবং সকল প্রকারের মূর্তি ও পূজাকে শিরিক আখ্যা দিয়ে তা থেকে বেঁচে থাকার তাগিদ দিয়েছেন। সুতরাং আকীদাগত বা বিশ্বাসগত দিক থেকে একজন মুওয়াহহিদ (একত্ববাদী মুসলিম)-এর জন্য পূজা-জাতীয় ধর্মাচারের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, সমর্থন করা এবং সেটিকে নিজের উৎসবের বিষয় মনে করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই।

    আরো পড়ুন  যেভাবে গড়বে একটি সফল কর্মজীবন : পদ্ধতি ও পরামর্শ (পর্ব-১)

    তবে এক ধর্মের সাথে অপর ধর্মের অনুসারীদের সহাবস্থান এবং অন্য ধর্মের অনুসারীদের আপন আপন পূজা-আরাধনা নির্বিঘ্নে পালন করতে সহযোগিতার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত পরিষ্কার। ইসলাম এতে পূর্ণ সমর্থন দেয় ও দায়িত্ব গ্রহণ করে। নিজস্ব পরিধির মধ্যে তার ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা তার রয়েছে। ইসলাম এক্ষেত্রে কোনো প্রকার অসহযোগিতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। বরং তাদের নিজস্ব গণ্ডির ভেতরে থেকে এগুলো পালন করার জন্য ইসলামী সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও দেয়া হয়েছে ইসলামী খেলাফতের সময়গুলোতে। হযরত উমর রা. তাঁর শাসনামলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের كنيسة (কানীসা) বানানোর সুযোগও দিয়েছেন। সুতরাং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার এবং ধর্মীয় আচার-আচরণকে এক করে দেখার পেছনে যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ নেই। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব। এ উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব ও আনন্দও তাদের নিজস্ব। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যদের ধর্মীয় কাজে যোগ দেওয়া, সেগুলোকে পছন্দ করা, সে উৎসবকে নিজের উৎসব মনে করার কোনো একটি বিষয়ই শরীয়ত কর্তৃক সমর্থিত নয়।

    মূলত অন্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সহাবস্থান, নিজস্ব পরিধির মধ্যে তাদের ধর্মপালন ও পালনের অধিকার একটি সমর্থিত ও স্বীকৃত বিষয়। এটি ইসলামেরই নীতি। কিন্তু অপর ধর্মের ধর্মীয় আচার এবং ধর্মভিত্তিক উৎসবকে নিজের উৎসব মনে করা কিংবা সে উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়া সম্পূর্ণ অসমর্থিত, অযৌক্তিক ও বাস্তবতাবহির্ভুত। মূর্তিপূজা সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান-উৎসবে কোনো মুসলমানের পক্ষে এভাবে একাত্মবোধ করার কোনো অবকাশই নেই। এটা ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা এবং ভিত্তিগত চেতনারও বিরোধী।

    আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সহীহ বুঝ দান করুন। এবং সকল শিরক-মিশ্রণ হতে মুক্ত থেকে খালেছ মিল্লাতে ইব্রাহীমীর ওপর অবিচল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

    আক্বিদা ইমান ইসলাম ধর্মীয় উৎসব পূজা

    সাম্প্রতিক পোষ্টসমূহ

    পরিবার সচেতনতা

    রাগ নিয়ন্ত্রণ

    February 20, 2025
    ইসলাম

    পাত্রী দেখার গুরুত্ব ও নিয়ম

    February 7, 2025
    ইসলাম

    যেভাবে শিশুদেরকে ধৈর্য এবং শৃঙ্খলা শিখাবেন

    February 6, 2025
    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক পোস্ট

    সন্তানের জেদ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

    January 29, 2026

    সন্তানের জেদ সামলানোর সহজ ও কার্যকর উপায়

    January 28, 2026

    সন্তান লালনপালন ও ঘুমের ঘাটতি: যেভাবে সাজাবেন আপনার দৈনন্দিন রুটিন

    January 27, 2026

    ইসলাম উদ্দিন নামের অর্থ কী?

    December 8, 2025

    ইসলামী উত্তরাধিকার বিধান ও নারীর অধিকার

    May 16, 2025
    প্রসঙ্গসমূহ
    অযু অর্থনীতি আক্বিদা আখেরাত আশুরা আশুরার দিন ভালো খাবার ইবাদত ইমদাদুল্লাহ ইসলাম উপার্জন কর্মজীবন কুরবানী গোসল ছুটি তালাক দাম্পত্যজীবন নারী নারী অধিকার ন্যূনতম ধর্মীয় শিক্ষা পরিবার পারিবারিক কলহ পারিবারিক জীবন পারিবারিক দায়িত্ব পারিবারিক সমস্যা পিতা-মাতা বাচ্চা বিনোদন বিবাহ বিরতি বিলম্বে বাচ্চা নেওয়া বিয়ে ভালো খাবার মা মাসআলা মাসায়েল রমযান রিযিক শাবান শাশুড়ি শিক্ষা সন্তান সফলতা সমাজ সম্পদ স্বামী-স্ত্রী
    প্রাসঙ্গিক
    অন্যান্য আল কুরআন আল হাদীস ইতিহাস ইসলাম ইসলামের পরিচয় ছেলেদের নাম তালাক দায়িত্ব নতুন প্রশ্নোত্তর নারী পরিবার পরামর্শ পরিবার সচেতনতা পিতা-মাতা বিবাহ মাসআলা সন্তান স্বামী-স্ত্রী
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    আপনাদের পারিবারিক জীবন সুখময় করার লক্ষে আমাদের নিরলস চেষ্টা। একদল নিবেদিত প্রাণ গবেষক ও আলিম আপনাদের গাইড দিয়ে যাচ্ছেন।

    গুরুত্বপূর্ণ ফিচার
    • পরিবার পরামর্শ
    • নতুন প্রশ্নোত্তর
    • পাত্র-পাত্রী
    • প্রশ্ন পাঠান
    • বইসমূহ
    যোগাযোগ
    মাহমুদনগর, সাইনবোর্ড, ডেমরা, ঢাকা-১৩৬১।
    poribarbd71@gmail.com‏
    +8801818713084
    • পরিবার পরামর্শ
    • নতুন প্রশ্নোত্তর
    • পাত্র-পাত্রী
    • প্রশ্ন পাঠান
    • বইসমূহ
    স্বত্ব © ২০২৬ পরিবারবিডি - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.